সৌদি আরব থেকে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষিক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমদানি সম্ভাব্য এই সার কিনতে খরচ হবে ১৯১ কোটি ৪১ লাখ টাকা।
সার কিনবে সরকার
দেশের সারের চাহিদা মেটাতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়া, কানাডা ও মরক্কো থেকে এক লাখ ৪০ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৯২ কোটি ৪৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ১৮তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় চীন, সৌদি-আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৮০ হাজার টন ডিএপি সার রয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৮৫০ কোটি ৫০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১৪২ কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা।
রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের জন্য কানাডা, কাতার, সৌদি আরব এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান কাফকো থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টন সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে মরক্কো ও তিউনিশিয়া থেকে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার কিনছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ২৪১ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা।
রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে কাতার ও সৌদি আরব থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনা হবে।
দুই লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চার দেশ থেকে এ সার কেনা হবে। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৫৭ কোটি ৮২ লাখ ৩৪ হাজার ২৯৫ টাকা।
রাশিয়া থেকে এক লাখ ৮০ হাজার টন এমওপি সার কিনবে সরকার। শুক্রবার (২ জুন) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।